আমরা জাহিলি যুগ দেখিনি; কিন্তু দেখেছি গ্রামগঞ্জের বিবাহ-অনুষ্ঠান। এর অধিকাংশগুলোতে জাহিলিয়াতের ফ্লেভার পূর্ণ মাত্রায় পাওয়া যায়। বিধর্মীদের পূজা-অনুষ্ঠানের মধ্যে আর এসব কথিত মুসলিম বিবাহ-অনুষ্ঠানের মধ্যে পার্থক্য খুব কমই নজরে পড়ে। এমনকি যারা ব্যক্তিগত জীবনে প্রাক্টিসিং মুসলিম, তাদের অনেকের বিয়ের অনুষ্ঠানও থাকে সম্পূর্ণ হিন্দুয়ানি সংস্কৃতিতে ভরপুর। শহরের বিয়েগুলোর অবস্থাও ভালো না। তবে দু-জায়গার জাহিলিয়াত দু-ধরনের।
গায়ে হলুদ, পাত্রের আত্মীয় ও বন্ধুদের দ্বারা পাত্রী দর্শন, গানবাজনা, ফ্রি মিক্সিং, বরযাত্রী, দুলহার সঙ্গে দুলহানের আত্মীয়া ও বান্ধবীদের মাখামাখি, সাধ্যাতীত মোহরানা, মজা করার নামে ঘুষ ও চাঁদাবাজি, কথিত ওকিল বাপ, পাত্রীর অনুমতি আদায়ের নামে মনগড়া কাজকারবার, কাজীদের ধূর্তামি, বাসরঘরের বিভিন্ন অপসংস্কৃতি সবমিলিয়ে এর জাহিলিয়াতের তালিকা অতি দীর্ঘ।
যে সংসারের সূচনাই হয় রবের নাফরমানি দিয়ে, সে সংসারে শান্তি ও বরকত আসবেই বা কীভাবে! যারা নিজেদের বিয়েতেও জাহিলিয়াতকে চ্যালেঞ্জ করার সৎসাহস রাখে না, তাদের বীর্য ও পৌরুষ নিয়ে প্রশ্ন জাগাও অস্বাভাবিক না।
0 Comments:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন